শুক্রবারেই কি নখ কাটতে হবে? শরয়ি বিধান জানুন
প্রকাশিত: ১০:০৫:০০ পূর্বাহ্ণ, ১১ অক্টোবর, ২০২৪

শুক্রবারেই কি নখ কাটতে হবে
লাস্টনিউজবিডি ১১ অক্টোবর: ইসলামে শুক্রবারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, যা সপ্তাহের ঈদের দিন হিসেবে পরিচিত। এ দিনটি মুসলমানদের জন্য বিশেষত্বের অধিকারী, কারণ এ দিনে অনুষ্ঠিত হয় জুমার নামাজ।
শুক্রবারের প্রস্তুতি হিসেবে শরীরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা মুস্তাহাব। অবাঞ্চিত লোম এবং অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় অংশ থেকে মুক্ত হওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। এ দিন হাত ও পায়ের নখ কাটাও একটি সুন্নত, যা অন্য যে কোনো দিন করা যেতে পারে, তবে শুক্রবারে করা মুস্তাহাব।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমা দিনে নখ কর্তন করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে অপর জুমা পর্যন্ত বরং তার চেয়ে তিন দিন পর্যন্ত বালা-মুসিবত থেকে হেফাজত রাখবেন।” এই হাদিসের মাধ্যমে শুক্রবারের মর্যাদা এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত সুন্নতগুলোর গুরুত্ব ফুটে ওঠে।
অর্থাৎ যে ব্যক্তি জুমুআহ বারে নখ কর্তন করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে দশ দিন পর্যন্ত নিজ হেফাজতে রাখবেন। (ফাতাওয়ায়ে শামী-৬/৪০৫)
নখ কাটার সময় উত্তম হচ্ছে- ডান হাত থেকে কাটা শুরু করে আবার ডান হাতেই শেষ করা।
অর্থাৎ ডান হাতের শাহাদাত আংগুলি থেকে শুরু করে কনিষ্ঠাংগুলিতে শেষ করা। অত:পর বাম হাতের কনিষ্ঠাংগুলি থেকে শুরু করে বৃদ্ধাংগুলি পর্যন্ত কাটা।
নখ কাটার নিয়ম
তারপর সর্বশেষে ডান হাতের বৃদ্ধাংগুলি কাটা। পায়ের কখ কাটার সময় উত্তম পন্থা হচ্ছে- ডান পায়ের কনিষ্ঠাংগুলি থেকে শুরু করে ধারাবাহিক নিয়মে কেটে কেটে বাম পায়ের কনিষ্ঠাংংগুলিতে গিয়ে শেষ করা।
নখ কাটার এই নিয়ম অনেক উলামায়ে কেরাম বর্ণনা করেছেন। অপর দিকে অনেকেই এটাকে অস্বীকার করেছেন। তাদের মতে এতদসম্পর্কিত হাদীসগুলো একেবারে দুর্বল। কিন্তু ফজীলত প্রমাণের জন্য দুর্বল হাদীস গ্রহণযোগ্য। এই মূলনীতির আলোকে অন্য পক্ষ নখ কাটার বর্ণিত এই নিয়মকেও মেনে নিয়েছেন।
লাস্টনিউজবিডি/জে আই